বুধবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ২:৫৭
শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়: ডা:শফিকুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট ।। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া ২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন নয় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জুলাই সনদের বাস্তবায়নের আদেশ জারি এবং সেই আদেশের ওপর জাতীয় গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পল্টনে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের সমাবেশ শুরু হয়। সেই সমাবেশে জামায়াত আমির এ কথা বলেন।

এরআগে কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল নিয়ে সকাল থেকেই আসছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। স্লোগান, ব্যানার আর পতাকায় পুরো এলাকা এখন পরিণত হয়েছে বিশাল জনসমুদ্রে।

সমাবেশে যোগ দেওয়া আটটি দল হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

শফিকুর রহমান বলেন, যারা জুলাই বিপ্লব মানবে না, তাদের জন্য ২৬ সালের কোনো নির্বাচন নাই। ২৬ সালের নির্বাচন দেখতে হলে আগে জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতি লাগবে।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতি দিতে হলে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে। এ আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই।

শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মুক্তিকামী মানুষের কথা একটাই- জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে হবে। গণভোটের ব্যাপারে সকল দল একমত। তাহলে তারিখ নিয়ে এই বায়নাবাজি কেন?

ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার প্রসঙ্গও টানেন তিনি। এই নেতা বলেন, আমরা সব দল একমত হয়ে স্বাক্ষর করেছি, তখন আগে ভোট হওয়াই যুক্তিযুক্ত। এর মধ্যে দিয়েই আইনি ভিত্তির পাটাতন তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ এবং এর ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ওই নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে তখন আর কোনো সংশয় সন্দেহ থাকবে না। আমরা চাই আগামী ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এটা নিয়ে কেউ ধুম্রজাল সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাবেন না। উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে ফেলবেন না।

তিনি বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রাখেন, জুলাই সনদেই যদি জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখান জাতীয় নির্বাচনে জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাবেন কীভাবে?